Trending

ফের বাংলায় হাজির হাজার হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচনের পর হঠাৎ বাংলায় কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঢল? বড়ো কোন বিপদের পূর্বাভাস? নাকি নজরে অন্য কোন কারণ?
১০ জুলাই বুধবার বাংলার চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। উত্তর কোলকাতার মানিকতলা, রায়গঞ্জ, রানাঘাট দক্ষিণ এবং বাগদা। এই চার কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফল ঘোষণা হবে ১৩ জুলাই অর্থাৎ শনিবার। এই চার কেন্দ্রে একেবারে শান্তিপূর্ণ নিরবাচন করানোর জন্য প্রয়োজন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা। তাই এবার ৭০ কম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী এল বাংলায়।
হাতে সময় কম। তাই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আঁটসাঁট ব্যবস্থা নিতে হবে। এই চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনকে হালকাভাবে নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। তাই নিরাপত্তার বিষয়ে যাতে কোনরকম খামতি না থাকে, সেইজন্য একেবারে জোরকদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। চার বিধানসভা কেন্দ্রের এই উপনির্বাচনের জন্য বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর সংখ্যাও। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার লক্ষ্যে এবার বাংলায় অতিরিক্ত ১৫ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
সদ্য শেষ হওয়া লোকসভা নির্বাচনে বিপুল পরিমানে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল বাংলার বুকে। কাশ্মীরের থেকে বেশি পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল এই বাংলাতেই। লোকসভা নির্বাচন চলাকালিন দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে সেখানে আলাদা করে কোন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার প্রয়োজন পরে নি। কিন্তু এবারে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে অনেকের মধ্যেই। তাহলে কি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আর বড়ো কোন ঝড়ের পূর্বাভাস পেয়েই নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর সংখ্যা বাড়াল নির্বাচন কমিশন?
শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচন করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। তাছাড়া রাজ্যের বর্তমান আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতি বিবেচনা করেই অতিরিক্তি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয় বাংলায়। জানা গিয়েছে, ৭০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে সিআরপিএফ থাকবে ১৪ কোম্পানি। বিএসএফ থাকবে ১৯ কোম্পানি। আইটিবিপি থাকবে ১৪ কোম্পানি এবং এসএসবি থাকছে ১৩ কোম্পানি।
একমাস আগে লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। মোটের অপর শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। বিধানসভা উপনির্বাচনের খেত্রেও সেই ছবিটা একই রাখতে মরিয়া কমিশন। আর তাই অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা বলে মনে করা হচ্ছে।
দেখতে থাকুন বিজনেস প্রাইম নিউজ। জীবন হক অর্থবহ।